The Justice Corner is a leading law firm in Bangladesh, offering specialized legal services to both local and international clients. We serve as trusted advisors to prominent businesses, companies, and banks.

Blog Details

জমির শেয়ার কেনার আগে যা যাচাই করবেন: প্রতারণা এড়ানোর আইনি নির্দেশিকা

জমির শেয়ার কেনার আগে যা যাচাই করবেন: প্রতারণা এড়ানোর আইনি নির্দেশিকা

জমির শেয়ার কেনার আগে চারটি বিষয় যাচাই করুন: ডেভেলপার, জমির মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন এবং যে কাগজপত্র আপনার শেয়ারকে আইনত আপনার করবে।

ঢাকা ও বড় শহরে জমির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় ল্যান্ড-শেয়ার প্রকল্প জনপ্রিয় হয়েছে। এতে একটি প্লট কয়েকটি শেয়ারে ভাগ করা হয়, আর প্রত্যেক ক্রেতাকে জমির আনুপাতিক অংশ ও একটি ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

কিন্তু এই মডেল প্রতারণারও বড় সুযোগ তৈরি করেছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এ প্রকাশিত সুপ্রীম কোর্টের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে ল্যান্ড-শেয়ার প্রতারণার ৯,৮২৩টি মামলা বিচারাধীন। এতে জড়িয়ে আছেন প্রায় ৪০,০০০ ক্রেতা এবং প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকা।

প্রতারিত হওয়ার পর টাকা উদ্ধার করা কঠিন, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। কেনার আগে সঠিক যাচাই তার চেয়ে অনেক সহজ। এই নিবন্ধে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে ধাপে ধাপে সেই যাচাইয়ের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।

১. ডেভেলপার যাচাই করুন

যে প্রতিষ্ঠানের হাতে আপনি জীবনের সঞ্চয় তুলে দিচ্ছেন, প্রথমে তাকে চিনুন।

আইনের অধীনে নিবন্ধন: রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ধারা ৫ অনুযায়ী প্রত্যেক ডেভেলপারকে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হয়। নিবন্ধন সনদ ৫ বছরের জন্য বৈধ, এবং কর্তৃপক্ষ নিবন্ধিত ডেভেলপারদের তালিকা সংরক্ষণ ও প্রকাশ করে। নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসা করা ধারা ১৯ অনুযায়ী অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

কোম্পানির রেকর্ড: যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে (RJSC) খোঁজ নিন। কোম্পানিটি আদৌ আছে কি না, এর পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার কারা এবং নিবন্ধিত ঠিকানা কোথায়, তা জেনে নিন।

রিহ্যাব সদস্যপদ: ব্রোশিওরের দাবিতে নয়, রিহ্যাবের নিজস্ব তালিকা দেখে সদস্যপদ নিশ্চিত হোন।

অতীত কাজের রেকর্ড: ডেভেলপারের শেষ করা প্রকল্প ঘুরে দেখুন এবং সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলুন। কোম্পানি ও এর পরিচালকদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা আছে কি না, সংবাদ ও আদালতের রেকর্ডে খুঁজে দেখুন।

প্রকৃত অফিস: যে প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব মূলত একটি ফেসবুক পেজে, তার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

২. জমির মালিকানা যাচাই করুন

বেশিরভাগ ল্যান্ড-শেয়ার প্রতারণা এই ধাপেই ধরা পড়ে, তাই এই কাজটি অবশ্যই একজন আইনজীবীর মাধ্যমে করুন।

মালিকানার ধারাবাহিকতা: পুরনো দলিল (বায়া দলিল) এবং সিএস, এসএ, আরএস ও বিএস/সিটি জরিপের খতিয়ান ধরে মালিকানা পেছন দিকে মিলিয়ে দেখুন। প্রতিটি হস্তান্তর যেন বর্তমান বিক্রেতা পর্যন্ত নির্ভুলভাবে পৌঁছায়।

নামজারি ও খাজনা: নামজারি (মিউটেশন) ও ডিসিআর বর্তমান মালিকের নামে আছে কি না, এবং ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের দাখিলা হালনাগাদ কি না, দেখুন।

দায়মুক্ততা অনুসন্ধান: সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সার্টিফায়েড কপি তুলে দেখুন, একই জমি আগে বিক্রি, বন্ধক বা চুক্তিবদ্ধ হয়েছে কি না। আইনের ধারা ১৬ অনুযায়ী বন্ধক রাখা রিয়েল এস্টেট ক্রেতার কাছে বিক্রি করা যায় না।

জমির প্রকৃতি: জমিটি খাস, অর্পিত, পরিত্যক্ত, ওয়াকফ বা দেবোত্তর সম্পত্তি কি না, অথবা সরকারি অধিগ্রহণের আওতায় আছে কি না, তা নিশ্চিত হোন। সিলেটের একটি প্রকল্পে ক্রেতারা প্রায় ৯০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন এমন জমির শেয়ারের জন্য, যা পরে সরকারি খাস জমি বলে প্রমাণিত হয়েছে।

চলমান মামলা: জমি নিয়ে কোনো বাটোয়ারা, স্বত্ব বা নিষেধাজ্ঞার মামলা আছে কি না, আদালতে খোঁজ নিন।

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি: সব ওয়ারিশকে বিক্রয়ে যুক্ত হতে হবে। ওয়ারিশ সনদ ও বংশতালিকা দেখে নিন।

সরেজমিন জরিপ: জমিটি নিজে গিয়ে দেখুন। একজন আমিন দিয়ে দলিল ও খতিয়ানের সঙ্গে মাপ মিলিয়ে নিন, এবং জমির দখলে আসলে কে আছেন তা নিশ্চিত হোন।

৩. প্রকল্পের অনুমোদন যাচাই করুন

অনুমোদন ছাড়া প্রকল্পে টাকা দেওয়া মানে আইনের সুরক্ষার বাইরে দাঁড়ানো।

অনুমোদনের আগে বিজ্ঞাপন বা বিক্রি নিষিদ্ধ: আইনের ধারা ৬(২) ও ৬(৩) অনুযায়ী প্রকল্প অনুমোদনের আগে ডেভেলপার গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে বা কোনো ক্রেতার কাছে বিক্রি বা বিক্রির চুক্তি করতে পারে না। অননুমোদিত প্রকল্পের বিজ্ঞাপন বা বিক্রয় ধারা ২০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

প্রসপেক্টাসে অনুমোদন নম্বর: ধারা ৬(১) অনুযায়ী প্রসপেক্টাসে ডেভেলপারের নিবন্ধন নম্বর এবং অনুমোদিত নকশার অনুমোদন নম্বর, স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ থাকতে হবে।

কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে যাচাই: ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও ইমারত নকশার অনুমোদন রাজউক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে সরাসরি যাচাই করুন। ফটোকপির ওপর নির্ভর করবেন না; উত্তরখানের একটি প্রকল্পে ক্রেতাদের রাজউকের একটি ভুয়া নকশা দেখানো হয়েছিল।

এলাকার পরিকল্পনা: বিস্তারিত এলাকা পরিকল্পনা (ড্যাপ) অনুযায়ী জমিটি আবাসিক ব্যবহারের উপযুক্ত কি না, এবং বন্যাপ্রবাহ এলাকা বা উচ্চতা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে কি না, দেখুন।

কাগজ দেখার অধিকার: ধারা ৬(৪) অনুযায়ী ডেভেলপার ক্রেতাকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও জমির মালিকানার দলিলপত্র দেখাতে বাধ্য। দেখাতে অস্বীকার করলে সেটিই বড় সতর্ক সংকেত।

৪. হিসাব মিলিয়ে নিন

সাধারণ একটি ভাগ অঙ্কই অনেক প্রতারণা ধরিয়ে দিতে পারে।

শেয়ারপ্রতি জমির পরিমাণ: প্লটের মোট আয়তনকে বিক্রির জন্য রাখা শেয়ারের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করুন, এবং আপনাকে যতটুকু জমি ও ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী উত্তরখানের একটি প্রকল্পে ১০ কাঠা জমির ৩৬টি শেয়ার আরও প্রায় ৪০ জনের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল।

দাম: এলাকার বাজারদরের চেয়ে অনেক কম দাম সুযোগ নয়, সতর্ক সংকেত।

৫. কাগজে মালিকানা নিশ্চিত করুন

মৌখিক প্রতিশ্রুতি বা একটি "শেয়ার সার্টিফিকেট" আপনাকে জমির মালিক বানায় না; রেজিস্ট্রিকৃত দলিলই বানায়।

জমির অংশের রেজিস্ট্রিকৃত দলিল: মূল কিস্তিগুলো দেওয়ার আগে বা সঙ্গে সঙ্গে আপনার অবিভক্ত জমির অংশ রেজিস্ট্রিকৃত সাফ কবলা দলিলে আপনার নামে হস্তান্তরের ওপর জোর দিন। শুধু বরাদ্দপত্র বা শেয়ার সার্টিফিকেট জমিতে কোনো স্বত্ব দেয় না।

বিক্রয় চুক্তি রেজিস্ট্রি: রেজিস্ট্রেশন আইনের ধারা ১৭ক এবং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তির ভিত্তিতে আদালতে চুক্তি বাস্তবায়নের (সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন) মামলা করা যায় না।

জমির মালিক ও ডেভেলপারের চুক্তি: জমির মালিক জড়িত থাকলে আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী তাঁর ও ডেভেলপারের মধ্যকার জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি এবং ডেভেলপারের অনুকূলে রেজিস্ট্রিকৃত আমমোক্তারনামা দেখে নিন।

দলিল হস্তান্তরের সময়সীমা: ধারা ৯(১) অনুযায়ী সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পর সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ডেভেলপারকে দখল হস্তান্তর, দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

কখনো সাদা বা অসম্পূর্ণ কাগজে সই করবেন না।

চুক্তিতে অবশ্যই যা থাকা উচিত:

বিষয়কেন জরুরি
জমির নির্দিষ্ট অংশ ও ফ্ল্যাট নম্বরধারা ৮(৩) অনুযায়ী আপনার সম্মতি ছাড়া বরাদ্দকৃত প্লট বা ফ্ল্যাট পরিবর্তন করা যায় না
ফিটিংস ও নির্মাণ উপকরণের বিবরণধারা ১৮(১) অনুযায়ী এগুলো চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে লিখতে হয়
হস্তান্তরের নির্দিষ্ট তারিখদেরির ক্ষতিপূরণ দাবি এই তারিখের ওপর নির্ভর করে
দেরির ক্ষতিপূরণধারা ১৫ অনুযায়ী চুক্তিতে না থাকলে পরিশোধিত অর্থের ওপর ১৫% হারে ক্ষতিপূরণসহ সমুদয় টাকা ৬ মাসের মধ্যে ফেরত দিতে হয়
টাকা ফেরতের শর্তধারা ১৭ অনুযায়ী ক্রেতা নিজে বরাদ্দ বাতিল করলে ১০% কেটে বাকি টাকা ৩ মাসের মধ্যে ফেরত দিতে হয়
প্রকল্পের অনুমোদন নম্বরঅননুমোদিত প্রকল্পে টাকা দেওয়া থেকে আপনাকে রক্ষা করে
বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিধারা ৩৬ অনুযায়ী আপস ও সালিশের পথ পরিষ্কার থাকে

৬. নিরাপদে টাকা পরিশোধ করুন

কীভাবে টাকা দিচ্ছেন, সেটিই পরে আপনার সবচেয়ে শক্ত প্রমাণ হয়ে দাঁড়াবে।

শুধু ব্যাংকের মাধ্যমে: আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী ক্রেতা ব্যাংকের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করবেন। টাকা দিন কেবল কোম্পানির নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে, কখনো কোনো ব্যক্তি বা এজেন্টকে নগদে নয়।

যথাযথ রসিদ: প্রতিটি পরিশোধের জন্য কোম্পানির প্যাডে স্বাক্ষরিত রসিদ নিন এবং যত্ন করে রাখুন।

অগ্রগতির সঙ্গে কিস্তি: একবারে বড় অঙ্কের অগ্রিম এড়িয়ে চলুন। কিস্তিগুলো জমি রেজিস্ট্রি, নকশা অনুমোদন ও নির্মাণের ধাপের সঙ্গে যুক্ত করুন।

সুদ নিষিদ্ধ: ধারা ১২(২) অনুযায়ী ফ্ল্যাট দখল হস্তান্তরের উপযোগী না হওয়া পর্যন্ত কিস্তির টাকা ছাড়া কোনো সুদ নেওয়া যায় না।

৭. সতর্ক সংকেত: এসব দেখলে সরে আসুন

দ্রুত টাকা দেওয়ার চাপ, বা "আর মাত্র কয়েকটি শেয়ার বাকি"

নকশার অনুমোদন "শিগগিরই আসছে"

মূল মালিকানার দলিল দেখাতে অনীহা

শুধু নগদে টাকা নেওয়া

ভবন শেষ না হওয়া পর্যন্ত জমি রেজিস্ট্রি না করার প্রস্তাব

পরিচালকদের পরিচয় জানা বা তাঁদের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব না হওয়া

বাজারদরের চেয়ে অস্বাভাবিক কম দাম

শুধু সামাজিক মাধ্যমে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, কোনো প্রকৃত অফিস নেই

সংক্ষিপ্ত একটি চেকলিস্ট, যা কেনার আগে টিক দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারেন:

☐ ডেভেলপার আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী নিবন্ধিত

☐ ডেভেলপার রিহ্যাবের সদস্য

☐ রাজউক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সরাসরি যাচাই করা হয়েছে

☐ খতিয়ান, নামজারি, দলিল ও খাজনার দাখিলা বিক্রেতার মালিকানা প্রমাণ করে

☐ জমিতে অন্য কোনো বিক্রি, বন্ধক বা মামলা নেই

☐ শেয়ারপ্রতি জমির হিসাব মিলেছে

☐ জমির অংশ রেজিস্ট্রিকৃত দলিলে আমার নামে আসবে

☐ বিক্রয় চুক্তি রেজিস্ট্রি করা হবে

☐ সব টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে কোম্পানির হিসাবে যাবে

দ্য জাস্টিস কর্নার কীভাবে সাহায্য করতে পারে

কেনার আগে একজন আইনজীবীর যাচাইয়ে যে খরচ হয়, প্রতারণার পর মামলা চালানোর খরচের তুলনায় তা সামান্য। দ্য জাস্টিস কর্নার জমি ও ফ্ল্যাট কেনার আগে পূর্ণাঙ্গ আইনি যাচাই সেবা দেয়, যার মধ্যে রয়েছে:

জমির পূর্ণ মালিকানা অনুসন্ধান (টাইটেল সার্চ) ও দায়মুক্ততা যাচাই;

ডেভেলপারের নিবন্ধন, কোম্পানির রেকর্ড ও প্রকল্প অনুমোদন যাচাই;

বিক্রয় চুক্তি ও বরাদ্দপত্র পর্যালোচনা ও সংশোধন, যাতে আপনার স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে;

দলিল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় সহায়তা; এবং

ইতিমধ্যে প্রতারিত হলে ফৌজদারি, দেওয়ানি ও সালিশি প্রতিকারের পূর্ণ আইনি সহায়তা।

জমির শেয়ার কেনার কথা ভাবলে টাকা দেওয়ার আগেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার কাছে থাকা কাগজপত্র নিয়ে আসুন; আমরা স্পষ্টভাবে জানাব কোথায় ঝুঁকি আছে এবং কী করা উচিত।

মোহাম্মদ ইমাম হোসেন (তারেক) অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল (মিডল টেম্পল) হেড অব চেম্বার, দ্য জাস্টিস কর্নার, ঢাকা

এই নিবন্ধটি সাধারণ তথ্যের জন্য, কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে আইনি পরামর্শ নয়। প্রতিটি ক্ষেত্রের তথ্য ভিন্ন; আপনার নিজের বিষয়ে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।